News->Details

সিকৃবি বার্ষিক প্রতিবেদন ২০১৮ প্রকাশিত

Added Date: Thursday 03-Oct-2019 [20:00:00]

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের বার্ষিক প্রতিবেদন ২০১৮ প্রকাশিত হয়েছে। জনসংযোগ ও প্রকাশনা দপ্তরের তত্ত্বাবধানে বৃহস্পতিবার ভাইস-চ্যান্সেলর সচিবালয়ে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রকাশনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ মতিয়ার রহমান হাওলাদার। সম্পাদনা পরিষদের সভাপতি প্রফেসর ড. মোঃ মোহন মিয়ার সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগের পরিচালক মোঃ আনিসুর রহমানের সঞ্চালনায় আরো উপস্থিত ছিলেন রেজিস্ট্রার মোঃ বদরুল ইসলাম শোয়েব, ভেটেরিনারি, এনিম্যাল ও বায়োমেডিক্যাল সায়েন্সেস অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. আবু হেনা মোস্তফা কামাল, কৃষি অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোঃ রুহুল আমিন, মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোঃ আবু সাঈদ, কৃষি অর্থনীতি ও ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. রোমেজা খানম, কৃষি প্রকৌশল ও কারিগরি অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. সানজিদা পারভীন রিতু, পোস্ট গ্রাজুয়েট স্টাডিজ অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোঃ নজরুল ইসলাম, বায়োটেকনোলজি ও জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোঃ মেহেদী হাসান খান, মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ আবুল কাশেম, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক প্রফেসর ড. মিটু চৌধুরী, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মোঃ সাজিদুল ইসলাম, শরীরচর্চা বিভাগের পরিচালক মোঃ ছানোয়ার হোসেন মিয়া, অর্থ ও হিসাব শাখার পরিচালক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ নূর হোসেন মিঞা, উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব ও বীজ বিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর ড. এ. এইচ. এম. মাহফুজুল হক, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক ড. মোঃ নাজিম উদ্দিন, জনসংযোগ ও প্রকাশনা দপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক খসরু মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন, উপ-পরিচালক ডাঃ সুমন তালুকদার, ভাইস-চ্যান্সেলরের একান্ত সচিব ডাঃ ফকর উদ্দিন, জনসংযোগ ও প্রকাশনা দপ্তরের সহকারী পরিচালক খলিলুর রহমান ফয়সাল, সিলেট অনলাইন প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোহিত চৌধুরী। ভাইস-চ্যান্সেলর ড. মতিয়ার প্রতিবেদন প্রকাশের জন্য সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। উল্লেখ্য প্রতিবেদনটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন একাডেমিক ও প্রশাসনিক বিভাগের তথ্য, শিক্ষক-কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ, সেমিনার ওয়ার্কশপ ও সম্মাননার খবর এবং ২০১৮ সালের প্রকাশিত বৈজ্ঞানিক জার্নালের তালিকা ছাপা হয়েছে। প্রতিবেদনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে সংরক্ষিত থাকবে বলে আলোচকবৃন্দ জানিয়েছেন।