News
প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান এর নেতৃত্বে প্রণীত
২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের বাজেটে
সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং নিত্যপণ্যের দাম
নিয়ন্ত্রণে রাখার লক্ষ্য নিয়ে তৈরি এই
গণমুখী বাজেটকে স্বাগত জানিয়েছেন সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিকৃবি) ভাইস-
চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো: আলিমুল
ইসলাম । বাজেট
পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, দীর্ঘ
দুই দশক পর বিএনপি
সরকারের ১৭ তম বাজেটে ৯
লাখ ৩৮ হাজার
কোটি
টাকার যে বৃহৎ ও
জনকল্যাণমুখী বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে সেখানে
জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং নিম্ন-মধ্যবিত্ত
ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সুবিধার ওপর বিশেষ জোর
দেওয়া হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান এর নেতৃত্বাধীন সরকারের
প্রথম এই বাজেটে সাধারণ
মানুষের স্বস্তি ও উন্নয়নের জন্য
বেশ কিছু কার্যকরী পদক্ষেপ
নেওয়া হয়েছে। এর
মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি দিক হলো : ফ্যামিলি
কার্ড ও ফার্মার কার্ডের
মতো জনকল্যাণমূলক সহায়তায় বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে।
নিত্যপণ্যের দাম সাধারণ মানুষের
ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে কর কাঠামোতে বিশেষ
ছাড় ও ভর্তুকি দেওয়া
হয়েছে।জনকল্যাণমুখী
রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে স্বাস্থ্য খাতে দেশের ইতিহাসে
সর্বোচ্চ বরাদ্দ নিশ্চিত করা হয়েছে।
চাল, ডাল, চিনি, তেল,
মাছ ও মাংসসহ নিত্যপ্রয়োজনীয়
পণ্যের ওপর কর কমানো
হয়েছে , যা সাধারণ মানুষের
জীবনযাত্রার ব্যয় কমাতে ভূমিকা
রাখবে।সামাজিক
নিরাপত্তা কর্মসূচি, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে
বরাদ্দ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হয়েছে । জিডিপি
প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৬.৫% এবং
মূল্যস্ফীতি ৭.৫% প্রাক্কলন
করা হয়েছে । অর্থনীতিতে
গতি ফেরাতে ও দেশি-বিদেশি
বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে এই বাজেটটি একটি
সময়োপযোগী পদক্ষেপ বলে তিনি মনে
করেন । এছাড়াও
সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য দীর্ঘ ১১
বছর পর নবম পে
স্কেল ঘোষণার ফলে তাদের মধ্যে
প্রাণচাঞ্চল্য সৃষ্টি হওয়ার পাশাপাশি তাদের জীবনমান উন্নয়নের সুযোগ তৈরি হয়েছে।
সর্বোপরি এই বাজেটে দেশের
প্রায় সকল শ্রেণী, পেশার,
ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে
মানুষের আকাঙ্খার প্রতিফলন ঘটেছে।