News
যথাযোগ্য
মর্যাদায় সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিকৃবি)
মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয়
দিবস উদযাপন করা হয়েছে। সূর্যোদয়ের
সাথে সাথে প্রশাসনিক ভবন,
সকল একাডেমিক ভবন, অফিস ও
আবাসিক হলে জাতীয় পতাকা
উত্তোলন করা হয়।
স্বাধীনতা
দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সকালে সমবেত কন্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। এরপর
প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে ভাইস-চ্যান্সেলর
প্রফেসর ড. মোঃ আলিমুল
ইসলামের নেতৃত্বে একটি শোভাযাত্রা বের
হয়। শোভাযাত্রাটি সমগ্র ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে শহীদ মিনারে
গিয়ে শেষ হয়। শোভাযাত্রায়
ডিন কাউন্সিলের আহবায়ক, পরিচালক (ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা), প্রক্টর,
প্রভোস্ট কাউন্সিলের আহবায়ক, অনুষদীয় ডিনবৃন্দ, প্রভোস্ট, বিভিন্ন বিভাগের পরিচালক, দপ্তর প্রধান সহ শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং শিক্ষার্থীরা অংশ
নেয়। এর পর শহীদ মিনারে মহান
স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয়
দিবসের তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
স্বাধীনতা দিবসের তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিকৃবি ভিসি প্রফেসর ড.
মোঃ আলিমুল ইসলাম এবং সমাপনী বক্তব্য
রাখেন জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটির
সভাপতি এবং ছাত্র পরামর্শ
ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক প্রফেসর ড. জসিম উদ্দিন
আহাম্মদ। আলোচনা সভায় প্রধান
অতিথির বক্তব্যে সিকৃবি ভিসি
প্রফেসর ড. মোঃ আলিমুল ইসলাম
বলেন, ৩০ লাখ শহীদ
ও ২ লাখ মা-বোনের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা আমাদের
পরম অহংকার ও গর্বের প্রতীক। শহীদ
প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা ও
জাতীয় দিবসের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ তিনি
চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার
ঘোষণা দিয়েছিলেন। তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমানের
এই ঘোষণা দ্বিধাগ্রস্ত জাতিকে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে এবং পাকিস্তানি বাহিনীর
বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়তে চরমভাবে উজ্জীবিত
করেছিল। তিনি আরও বলেন,
জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমান—বিএনপির এই তিন শীর্ষ
নেতৃত্ব বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় কাঠামো, অর্থনৈতিক ভিত্তি মজবুত ও আধুনিকায়নে গুরুত্বপূর্ণ
উদ্যোগ নিয়েছেন। জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র ও খাল কাটা
কর্মসূচি, খালেদা জিয়া সংসদীয় গণতন্ত্র ও শিক্ষা এবং
তারেক রহমান ‘ভিশন ২০৩০’-এর
মাধ্যমে দেশ গঠনে ভূমিকা
রেখে চলেছেন। পরে জাতীয় দিবস
উদযাপন কমিটির ব্যবস্থাপনায় শহীদ মিনারে মহান
মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের স্মরণ করে পুষ্পস্তবক অর্পন
করা হয়। ফুল দিয়ে
শ্রদ্ধা নিবেদন করেন ভাইস-চ্যান্সেলর,
জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটি,
ডিন কাউন্সিল, প্রভোস্ট কাউন্সিল, প্রক্টর কার্যালয়, বিভিন্ন আবাসিক হল, শিক্ষক, কর্মকর্তা,
কর্মচারী, বিভিন্ন আঞ্চলিক সমিতিসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।